সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : সরকারের ‘উপসচিব’ পদে পদোন্নতি লাভ করেছেন কক্সবাজারের পুত্রবধূ ও বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ৩১তম প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা হালিমা খাতুন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁকে এ পদোন্নতি প্রদান করা হয়। তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কলাতলীর আলহাজ মৌলানা আবদুল গফুরের পুত্রবধূ। তাঁর এই গৌরবময় অর্জনে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং কক্সবাজারের সুধীসমাজে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।
হালিমা খাতুন একজন মেধাবী, দক্ষ, সৎ ও নিষ্ঠাবান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবনে ইতোমধ্যে স্বীয় যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর ও পদে অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি ইতিপূর্বে পরিকল্পনা কমিশন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া; উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বুড়িচং, কুমিল্লা; অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, মাগুরা; মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত রয়েছেন।
কর্মজীবনের প্রতিটি পর্যায়ে তিনি সততা, নিষ্ঠা, দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি নিজেকে আরও দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তা হিসেবে গড়ে তুলেছেন।
তাঁর কর্মদক্ষতা, সততা ও পেশাগত নিষ্ঠা শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্যই নয়, বরং তাঁর পরিবার এবং বৃহত্তর সামাজিক পরিমণ্ডলের জন্যও গর্বের বিষয়। তাঁর এই পদোন্নতি ভবিষ্যতে দেশ ও জনগণের সেবায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
ব্যক্তিগত জীবনে হালিমা খাতুন এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী। তাঁর স্বামী রফিকুল ইসলাম মানিক, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী ও কোম্পানি আইনবিষয়ক পরামর্শক। তাঁদের পরিবারে হালিমা খাতুনের এই অর্জন নিঃসন্দেহে এক আনন্দময় ও গৌরবের মুহূর্ত।
হালিমা খাতুনের এই সাফল্যে তাঁর পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং কক্সবাজারের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আনন্দের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
নিজের এই সাফল্যের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে হালিমা খাতুন মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব আরও নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করে দেশ ও জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চান। এ জন্য তিনি কক্সবাজারবাসীসহ দেশবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।
হালিমা খাতুনের এই গৌরবময় পদোন্নতি পাওয়ায় এসএসসি ৯৯ ব্যাচ কক্সবাজার পক্ষে তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। মহান আল্লাহ কর্মজীবনের আগামী দিনগুলোকে আরও সফল, মর্যাদাপূর্ণ ও কল্যাণময় করুন এবং দেশ, জাতী ও জনগণের সেবায় তাঁকে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
